রাজশাহীর পুঠিয়ায় বাড়িতে বসে হেরোইন ও ইয়াবা বিক্রির প্রস্তুতির সময় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে ৫ গ্রাম হেরোইন সদৃশ্য পাউডার ও ৪০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের সুবর্ণপাড়া গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন সুবর্ণপাড়া গ্রামের মো. মেহের আলীর ছেলে মো. সুমন আলী (২৬) ও মো. আঃ মালেকের ছেলে মো. সবজু আলী (২২)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, সুবর্ণপাড়া গ্রামের সুমন আলীর নিজ বাড়িতে দুই ব্যক্তি মাদকদ্রব্য বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়ে এসআই মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালাতে রওনা হয়।
রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে পুলিশের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুই ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে। উপস্থিত লোকজনের সামনে দেহ তল্লাশি করে সুমন আলীর কাছ থেকে একটি স্বচ্ছ সাদা পলিথিনে মোড়ানো ৫ গ্রাম হেরোইন সদৃশ পাউডার এবং একটি নীল রঙের এয়ারটাইট ব্যাগে রাখা ৪০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার ওজন ৪ গ্রাম বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার সবজু আলী মাদক বিক্রির কাজে সুমন আলীকে সহযোগিতা করছিলেন।
এ ঘটনায় এসআই মো. শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ১০ আগস্ট পুঠিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেছেন। মামলাটি পুঠিয়া থানার মামলা নম্বর-১০।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সুমন আলী বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য জানা যায়নি।
পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদুল ইসলাম জানায়, গ্রেপ্তার সুমন আলীর বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তিনি বলেন, মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রোববার (৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের সুবর্ণপাড়া গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন সুবর্ণপাড়া গ্রামের মো. মেহের আলীর ছেলে মো. সুমন আলী (২৬) ও মো. আঃ মালেকের ছেলে মো. সবজু আলী (২২)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, সুবর্ণপাড়া গ্রামের সুমন আলীর নিজ বাড়িতে দুই ব্যক্তি মাদকদ্রব্য বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়ে এসআই মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালাতে রওনা হয়।
রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে পুলিশের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুই ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে। উপস্থিত লোকজনের সামনে দেহ তল্লাশি করে সুমন আলীর কাছ থেকে একটি স্বচ্ছ সাদা পলিথিনে মোড়ানো ৫ গ্রাম হেরোইন সদৃশ পাউডার এবং একটি নীল রঙের এয়ারটাইট ব্যাগে রাখা ৪০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার ওজন ৪ গ্রাম বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার সবজু আলী মাদক বিক্রির কাজে সুমন আলীকে সহযোগিতা করছিলেন।
এ ঘটনায় এসআই মো. শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ১০ আগস্ট পুঠিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেছেন। মামলাটি পুঠিয়া থানার মামলা নম্বর-১০।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সুমন আলী বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য জানা যায়নি।
পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদুল ইসলাম জানায়, গ্রেপ্তার সুমন আলীর বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তিনি বলেন, মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরিফুল হক (রুবেল),